1. info@gaibandhaexpress.news : Farhan :
সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ০৮:৫০ অপরাহ্ন

গাইবান্ধার বিষ্ণুপুর উত্তরপাড়া ও বৌলের পাড়া কমিউনিটি নব-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভুয়া ও জালিয়াতী কাগজ তৈরী করে নিয়োগের অভিযোগ

tanvir rahman
  • Update Time : সোমবার, ৭ মার্চ, ২০২২
  • ৮২ Time View
গাইবান্ধা সদর উপজেলাধীন ৪নং সাহাপাড়া ইউনিয়ন অবস্থিত বিষ্ণুপুর উত্তরপাড়া ও বৌলের পাড়া কমিউনিটি বর্তমান নব-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভুয়া ও জালিয়াতী কাগজ তৈরী করে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ হোসেন আলী ০৯/০২/২০২২খ্রিঃ তারিখে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, গাইবান্ধা সদর কে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য আদেশ করেন। যার স্মারক নং-৩৮.০১.৩২০০.০০০.৬৭.০০১.২২-২০৭। প্রকাশ, উক্ত বিদ্যালয় ২টি ১৯৯৬ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকালে ২জন করে শিক্ষক নিয়োগ হয় শুধুমাত্র ১ম শ্রেণী ও ২য় শ্রেণী। ২৪/০১/২০১১ইং সালে উপজেলা শিক্ষা কমিটি ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণী খোলা ও শিক্ষক নিয়োগের অনুমতি দেন ২জন করে ৪ জন দৈনিক ঘাঘট পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ৪নং সাহাপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ছাড়া আবেদন করতে পারবে না মর্মে পত্রিকায় উল্লেখ ছিল। ২টি বিদ্যালয়ে ১২/১৪ জন প্রার্থী আবেদন করেছিল। সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের মধ্যে নিয়োগ নিয়ে দ্ব›দ্ব সৃষ্টি হইলে প্রার্থীদের পরীক্ষা হয় নাই। হঠাৎ উক্ত বিদ্যালয় জাতীয় করণের ঘোষনা আসলে নিয়োগ বন্ধ হয় আজও পরীক্ষা হয় নাই। প্রতিষ্ঠা লগ্নে বিষ্ণুপুর ও উত্তর পাড়ার প্রধান শিক্ষক মোছাঃ মাহফুজা বেগম ও মুক্তা খাতুন এম,পিও ভূক্ত শিক্ষক হিসাবে সরকারি বেতন ভাতা প্রাপ্ত হয় ও বৌলের পাড়া কমিউনিটি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল হোসেন সহকারী শিক্ষক নুরজাহান বেগম এম,পিও ভূক্ত হয়ে বেতন ভাতা উত্তোলন করে। সরকারি করণের সময় ক,খ,গ তথ্য ফরমে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ২৩/০৪/২০১৩ইং তারিখে ২ জন করে শিক্ষকের নাম প্রেরণ করেন এবং ০১/১২/২০১৬ইং তারিখে শিক্ষকের নামে সরকারী গেজেট ভূক্ত হয়। উক্ত বিদ্যালয় ২টিতে ২জন করে শিক্ষক ২০১৭ সাল পর্যন্ত পাঠদান করে এবং সরকারি বেতন ভাতা উত্তেলোন করে। উক্ত শিক্ষকের তথ্য ফরম, মাসিক রির্টানে স্বাক্ষর করেন। পাঠদানের স্বার্থে অন্য বিদ্যালয় হতে ডেপুটেশনে শিক্ষক এনে পাঠদান করেছেন। তা হইলে ভূয়া নিয়োগকৃত শিক্ষকগণ কোথায় ছিলেন। প্রধান শিক্ষকগণ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফিরোজ কবির ও মাহাবুবা বেগম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল জোব্বারের সাথে যোগসাজশ করে ২০০৮ইং সালে বাহির থানার প্রার্থী গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার স্থায়ী বাসিন্দা যার জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর-১৯৭৮৩২১৮৮১৩০৮২৫৯২ নিয়োগের মাধ্যমে বিষ্ণুপুর উত্তর পাড়া কমিউনিটি বিদ্যালয়ে মোছাঃ জান্নাতুল ফেরদৌসী ও ফরহাদ হোসেন গ্রাম-গটিয়া, উপজেলা-সাঘাটা যার জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর-৮৬৭৩৯৯৫০৯১ এর স্থায়ী বাসিন্দা। নিয়োগ পত্রে ভূয়া ঠিকানা ফরহাদ হোসেন দক্ষিন ফলিয়া পোষ্ট-বোয়ালী, ইউপি-বোয়ালী, ও জান্নাতুল ফেরদৌসী গ্রাম-থানসিংহপুর, পোষ্ট-বোয়ালী, ইউপি-বোয়ালী, উভয়ের থানা-গাইবান্ধা সদর দেখাইয়া ০৩/০২/২০০৮ ও ০২/০২/২০০৮ ভূয়া নিয়োগ দেখাইয়াছে। অতঃপর ভূয়া সভাপতির নাম দেখাইয়া নিয়োগ পত্র প্রদান করিয়াছে তাহার নাম মোঃ সিরাজুল ইসলাম, প্রাক্তন ৫নং ওয়ার্ড সদস্য সাহাপাড়া ইউপি। যার মোবাঃ ০১৭৩৪১৭২৯১৪। বৌলের পাড়া কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছাঃ শাহানারা খাতুন, গ্রাম-ডুমুরগাছা, পোষ্ট-নাকাইহাট, উপজেলা-গোবিন্দগঞ্জ, জেলা-গাইবান্ধা যার জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর-১৯৮২৩২১৩০৫৫৭৫৬৩২৪ এর স্থায়ী বাসিন্দা ও সহকারী শিক্ষক মোছাঃ সাথী আক্তার, গ্রাম-থানসিংহপুর, পোষ্ট-বোয়ালী, ইউপি-বোয়ালী, গাইবান্ধা সদর এর স্থায়ী বাসিন্দা। গত ১৭/০১/২০০৮ইং তারিখে ভূয়া নিয়োগ দেখাইয়া মৃত্যু মকবুল হোসেন উক্ত বিদ্যালয়ের সভাপতির জাল স্বাক্ষর করিয়া নিয়োগ প্রদান করেন। নিয়োগকৃত শিক্ষকগণকে ক,খ,গ তথ্য ছক জাল সৃজন করিয়া ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির স্বাক্ষর সরকারী নিয়মে থাকা স্বত্তে ৮জনার স্বাক্ষর জালিয়াতী করিয়া তথ্য ছক ২৪/০৪/২০১৬ইং তারিখে জাতীয় করণের তথ্য প্রেরণ করেন। যা সরকারী নিয়মের পরিপন্থি। ২০১৮ইং সালে শিক্ষক গেজেট হয়। ইহাতে প্রতীয়মান হয় যে, তাহারা ২০০৮ সাল থেকে এমপিও ভূক্ত হন নি এবং ২০১৩ইং সালে জাতীয় করণের গেজেটে তাদের নামও ছিল না। জালিয়াতীর সাথে জড়িত এবং ভূয়া নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All Rights Reserved © 2021 Gaibandha Express
Theme Customized BY LatestNews