যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া ও ইসরায়েলে দৈনিক করোনা শনাক্ত রেকর্ড ছুঁয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে, যা সে দেশ ছাড়াও বিশ্বের মধ্যে রেকর্ড।

এদিকে ভারতে মাত্র আট দিনে কভিড সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়েছে ছয় গুণ। অতি সংক্রামক ওমিক্রন ধরনের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে করোনার হার বাড়ছে।
যুক্তরাষ্ট্রে সোমবার শনাক্তের সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ৮০ হাজার ২১১, যা ছিল কোনো একটি দেশে দৈনিক শনাক্তের দিক থেকে বিশ্বের মধ্যে রেকর্ড।

জন হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে সাত দিনে দৈনিক গড় শনাক্তের সংখ্যা ছিল চার লাখ ৮৬ হাজার।

মঙ্গলবার ফ্রান্সে দুই লাখ ৭০ হাজার, যুক্তরাজ্যে দুই লাখ, অস্ট্রেলিয়ায় ৫০ হাজার এবং ইসরায়েলে প্রায় ১২ হাজার ব্যক্তির দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

দেশগুলো দৈনিক শনাক্তের দিক থেকে অতীতের সব রেকর্ড সহজেই ছাড়িয়ে গেছে।

ওমিক্রনে প্রথম মৃত্যু ঘটেছে ভারতে। রাজস্থান রাজ্যে ৭৩ বছরের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে করোনার এ ধরনে।

এদিকে ভারতে গতকাল সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৯৭। এর আগের দিন শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৩৭ হাজার ৩৭৯। আর গত ২৮ ডিসেম্বর শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৯ হাজার।

এর অর্থ দাঁড়ায়, ভারতে মাত্র আট দিনে কভিড সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়েছে ছয় গুণ। দেশটিতে ওমিক্রন শনাক্তের সংখ্যা দুই হাজার ১৩৫। এর মধ্যে মহারাষ্ট্রে ৬৫৩ ও দিল্লিতে ৪৬৪ জনের শরীরে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তা আবদি মাহমুদ বলেছেন, ব্যাপক সংক্রামক ওমিক্রনের বিস্তার ঘটেছে বিশ্বের ১২৮টি দেশে। মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ওমিক্রনের ব্যাপক সংক্রমণ করোনাভাইরাসের আরো নতুন ভয়ংকর ধরন তৈরির ঝুঁকি বাড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে মোট করোনা শনাক্তের ৫৯ শতাংশই ওমিক্রন সংক্রমিত। বিশ্বজুড়েই এখন পর্যন্ত ওমিক্রনে মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার হার কম। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে বলছে, সংক্রমণ যত বেশি ঘটবে, ভাইরাসের নতুন ধরন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা তত বেশি।